ঢাকা, শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬

আবাসন বৃত্তি পেতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের যোগাযোগের ঘাটতি আছে : জকসু

ads

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের সহ সভাপতি মো রিয়াজুল ইসলাম বলেছেন, আবাসন বৃত্তির ব্যাপারে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের মন্ত্রালয়ে যোগাযোগের ঘাটতি রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ নির্মাণে ২০ কোটি টাকার প্রজেক্ট পেয়ে হাতছাড়া হওয়ার আশঙ্কার কথা জানান তিনি। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারের সামনে এক জরুরি  সংবাদ সম্মেলনে তাঁরা এসব কথা বলেন। 


আবাসন বৃত্তির বিষয়ে তিনি বলেন, আপনারা সবাই জানেন যে মন্ত্রণালয়ে ফাইল গুলো অযথায় পড়ে থাকে।  এখানে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের যোগাযোগের ঘাটতি রয়েছে।  বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে বলবো আপনারা নিয়মিত যোগাযোগ করুন এবং দেখুন, ওনারা কি করেন।


স্টারলিংক সম্পর্কে ভিপি বলেন, আমরা ক্যাম্পাসে পরীক্ষামূলকভাবে স্টারলিংক চালু করেছি। তবে এটা স্থায়ী সমাধান নয়। আমাদের ইশতেহার ছিলো টেকসই  ইন্টারনেট ব্যবস্থা করা। আমরা ইতোমধ্যেই ইউজিসির কাছে একটা ফান্ডের জন্য একটা ফাইল জমা দিয়েছি। সেখান একটা বাজেট পাশের কথা হয়েছে। সেটা জুনের মধ্যে পাশ হলে যেসব বিভাগে নেটওয়ার্ক সমস্যা রয়েছে, তা সমাধান করা সম্ভব হবে।


তিনি আরও বলেন, আমরা জকসুতে নির্বাচিত হবার পর পরই ধর্ম মন্ত্রণালয়ের যোগাযোগ করি। সেখান থেকে মসজিদ নির্মাণের জন্য ২০ কোটি টাকার একটা প্রজেক্ট পাই।  কিন্তু দুঃখের বিষয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন মসজিদ নির্মাণের জন্য জায়গা দিতে ব্যর্থ হয়েছে। আমরা আশা করবো প্রজেক্ট অন্য কোথাও চলে যাওয়ার আগেই তারা জায়গার ব্যবস্থা করে দিবেন। 

 

ইশতেহার পূরনের বিষয়ে তিনি বলেন, আমাদের ইশতেহারের মধ্যে বাস ট্র‍্যাকার অ্যাপস এবং বাস বৃদ্ধি। আমরা নির্বাচনের পর পরই টাকা জমা দিয়েছি। গুগল এটার অনুমতি দিতে দেরি করেছে। আগামীকালই বাসের ড্রাইভারদের নিয়ে প্রশিক্ষণমূলক চালু করবো আমরা। আমরা দেখেছি যে, শিক্ষার্থীদের পুরানো বাস গুলো বিক্রি করে প্রশাসন একটা ভালো অ্যামাউন্টের টাকা পেয়েছে। আমরা দাবি জানিয়েছি যে, এই টাকা অন্য কোথাও ব্যয় না করে যাতে নতুন বাস ক্রয় করা হয়। 


লিখিত বক্তব্যে জকসুর জিএস আব্দুল আলিম আরিফ বলেন, আমাদের কাজ হলো অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে টাকা ছাড় করে নিয়ে আসা। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছি। তিনদিনের মধ্যে এই টাকা ছাড়ের জন্য যাবতীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। 


বিগত দেড় মাসের কাজের বিবরণ দিয়ে জকসু জিএস বলেন, বৃত্তি নিয়ে ইউজিসি ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করা হয়েছে। সেনাবাহিনীর সঙ্গে বসে দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ নিয়ে ত্বরান্বিত করেছি। সেকেন্ড ফেজের ডিপিপি মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। আমরা আমাদের কাজগুলো চলমান রেখেছি। 


এ সময় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের সমাজসেবা ও শিক্ষার্থীকল্যাণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান, শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক ইব্রাহিম খলিল, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক সুখীমন খাতুন সহ অন্যান্য কার্যনির্বাহী সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

ads
ads
ads

Our Facebook Page